শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভালুকায় দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার উদ্ধোধন ভালুকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু ত্রিশালে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ভালুকায় প্রাইভেটকারের ভিতরে ধর্ষণের ঘটনায় আটক ১ তিন বছর ধরে কাগজের নিচে বসবাস ভয়ে স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঘর ছাড়া ময়মনসিংহ শিল্প এলাকায় শ্রমিকের শতভাগ বেতন ও ভাতা নিশ্চিত করা হয়েছে! …পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান  ভালুকায় ১ লাখ নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে হাজ্বী রফিকের ঈদ উপহার বিতরণ ভালুকায় ইয়াবা ও হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার ভালুকায় কবি’দের আড্ডায় কবিতা পাঠ ও ইফতার ত্রিশালে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের আয়োজনে অবহিত করণসভা অনুষ্ঠিত

জরাজীর্ণ ভালুকা সাব-রেজিষ্ট্রারের কার্যালয়টি যে কোন মুহুর্তে ধ্বসে পড়ে প্রানহানির আশংকা

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১, ১.৫০ পিএম
  • ২৫২ বার পাঠিত

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রতি মাসে কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের উৎস ময়মনসিংহের ভালুকা সাব-রেজিষ্ট্রারের কার্যালয়ের ভবনটি এখন জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত প্রায় যে কোন মুহুর্তে ধ্বসে পড়ে দলিল লেখকসহ অগণিত সেবা নিতে আসা জমি দাতা গ্রহিতাদের প্রাণহানীর মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।কার্যালয়ের দেয়ালের বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বেশ কয়েকটি স্থানে ছাদ থেকে আস্তর খসে পড়ে রড বেড়িয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের কার্যক্রম। খুব দ্রুত সময়ের মাঝে ভবনটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা না করা হলে যে কোন মুহুর্তে ভবনটি ধ্বসে পড়ে বড় ধরণের দূর্ঘটনাসহ রাষ্ট্রিয় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখকসহ সেবা নিতে আসা মানুষ।সরেজমিনে দেখা যায়, সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের ছাদের পলেস্টার খসে কয়েকটি স্থানে ঢালাইয়ের রড বের হয়ে গেছে। কার্যালয়টির দেয়ালে দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাটল। ছাদের বিমেও ফাটল ধরেছে। সিলিং ফ্যানের হুকগুলো মরিচা ধরে নষ্ট প্রায়। ভবনের অনেক স্থানে মেঝের ঢালাই উঠে গেছে। বিদ্যুৎ লাইনও ঝুকিপূর্ণ। বর্ষার সময় বৃষ্টির পানি ও শীতের সময় ছাদের ভিতর দিয়ে পানি চুয়ে পড়ে। বৃষ্টি শুরু হলে টেবিলের উপর পলিথিন ও ছাতা দিয়ে রক্ষা করা হয় প্রয়োজনীয় দলিল-দস্তাবেজ। এসবের মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। দলিল লেখক ও ভূমি ক্রেতা-বিক্রেতাদেরও দিন কাটছে দুর্ঘটনার আশংকায়। জানাযায়, ১৯৮৮ সালের ২২ ডিসেম্বর তারিখে গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি এ.কে.এম নূরুল ইসলাম উদ্বোধন করেন। তারপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে ভবনটি। হবিরবাড়ি ইউনিয়নের মফিজুল আলম আসেন জমি ক্রয়ের দলিল করতে। তিনি বলেন, মাঝে মাঝে আসতে হয় রেজিস্ট্রি অফিসে। ভবনের ভেতরে বেশিক্ষণ থাকলে ভয় লাগে। অনেক দিন ধরে রেজিস্ট্রি অফিসের এ অবস্থা। দেখে মনে হয় এই বুঝি পলেস্টার খসে পড়লো! তাছাড়া যেভাবে ভূমিকম্প হচ্ছে যে কোন সময় এ ভবনটি ভেঙ্গে পরে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দলিল লেখক শফিকুল ইসলাম জানান, ‘অফিসটির অবস্থা খুবই নাজুক। যে কোন মুহুর্তে ধ্বসে পড়তে পারে। বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটার আগেই দ্রুত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। এমপি মহোদয় ডিও লেটার প্রদান করেছে, সংসদেও উপস্থাপন করেছে। আমরা আশা করছি এমপি মহোদয়ের হস্থক্ষেপে দ্রুত আমরা ভবন পাবো।’সাব-রেজিষ্ট্রার মো. বোরহান উদ্দিন সরকার জানান, ‘ভবনটি দ্রুত পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে পুনঃনির্মানের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ কে চিঠি দেয়া হয়েছে। এই দপ্তর থেকে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হলেও আমাদের এই অতংকের কথা কেউ শুনছেনা। এই এলাকায় একটি ভূমিকম্প হলেই ভবনটি ধ্বসে পড়বে। অফিসে যতক্ষণ থাকি ভয়ে থাকি। বর্জ্যপাত হলে অফিসের বাইরে চলে যাই। ’স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহাম্মেদ ধনু জানান জরুরী ভিত্তিতে নতুন ভবন নির্মাণ করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ কে ডিও লেটার প্রদান করা হয়েছে। আশা করছি খুব তারাতারিই ভবনটি নির্মাণ করা সম্ভব হবে।

দয়াকরে নিউজটি শেয়ার করুন

আরো পড়ুন.....

greenaronno.com

themes052459
© All rights reserved © 2018 মুক্তকণ্ঠ
Theme Download From Bangla Webs