রবিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:১৮ অপরাহ্ন

মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক শফিক সরকার বহিস্কার

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ৪.৪৪ পিএম
  • ১৯৬ বার পাঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক শফিক সরকারকে বহিস্কার করা হয়েছে। মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের সভায় প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, শৃঙ্খলাভঙ্গসহ গটনতন্ত্র বিরোধি অপরাধের দায়ে সাধারন সম্পাদক পদ থেকে গতকাল মঙ্গলবার থেকে সাময়িক অব্যহতি প্রদান করা হয়। জানাযায়, ঐতিহ্যবাহী মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবটি ১৯৮৩সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিজস্ব গঠনতন্ত্রের আলোকে পরিচালিত। গত ০৩ জানুয়ারী২০২১ তারিখে মেয়র প্রার্থীর সাংবাদিক সন্মেলনের অর্থ প্রার্থীর নির্দেশনায় প্রেসক্লাবের অর্থছাড়া উপস্থিত সাংবাদিকদের মাঝে সমহারে বন্টন করে টাকার অংকসহ লিখে স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিতরণ করা হলেও বেশি টাকা দাবী করে অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দেন। পরে বলে বেড়ান আপনাকে আটকে রেখে হামলা করা হয়েছে। নিজেকে সর্বময়ক্ষমতার মালিক মনে করে ০৪ জানুয়ারী ২০২১ তারিখে বিকেলে একদল বহিরাগতদের নিয়ে প্রেসক্লাবে সভাপতির উপর হামলা করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও চেয়ার ছুড়ে মারা যা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এজেডএম ইমামউদ্দিন মুক্তার সহযোগিতায় প্রাণে রক্ষা হয়। যা প্রেসক্লাবের ইতিহাসে নেক্কারজনক ঘটনার সৃষ্টি করেছেন। মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবের ইতিহাসে সর্বজন গ্রহণযোগ্য ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষে কোন প্রকার সহযোগিতামুলক দায়িত্ব পালন না করে সম্পুর্ণ অসহযোগিতা করার চেষ্ঠা করেছেন।এমনকি ক্লাবের প্রকাশিত স্মারনিকায় বিজ্ঞাপনদাতাদের বিভিন্নভাবে বিজ্ঞাপনের অর্থ না দেয়ার ব্যপারে বাধাপ্রদানসহ অসৌজন্যমূলক আচরন করেছেন। প্রথম সভার সিদ্বান্ত অনুযায়ী প্রতিমাসের আয়-ব্যয় প্রতিমাসে সভায় অনুমোদন নেয়ার কথা থাকলেও ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় হিসাবাদি বারবার তাগিদ দেয়া সত্তেও অনুমোদনের জন্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করেননি। যার জন্য হিসাবসমূহ আজও অনুমোদনহীন রয়েছে। এমনকি রেজুলেশন বহিতে বিধি মোতাবেক সভার মন্তব্য লিপিবদ্ধ না করার জন্য একাধিকবার সভা মূলতবি করতে বাধ্য করেছেন। এমনকি হিসাবাদিও অডিট সম্পন্নকরে বিধিমোতাবেক লিখিতভাবে বার্ষিক সাধারণ সভা আহবান করতে বলা হলেও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। করোনাকালীন সময়ে প্রেসক্লাবের সদস্যদের নেয়া ভালো উদ্দ্যোগগুলোকে বাধাগ্রস্থ করার সর্ব্বোচ্য চেষ্টা অব্যাহত করেছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সামাজিক, রাষ্ট্রীয় দিবস পালনে বাধা প্রদানের চেষ্টা করা এবং যারা এসব প্রোগ্রাম করেছেন তাদের নাজেহাল করেছেন। এমনকি বিজ্ঞাপনগুলো সকল সাংবাদিক সদস্যদের মাঝে বন্টন না করে নিজের করার চেষ্ঠা করেছেন। নিজেকে প্রেসক্লাবের সবচেয়ে বড়কর্তা হিসেবে প্রভাব খাটিয়ে প্রায় সকল সদস্যদের সাথে অসৌজন্যমুলক আচরন করেছেন। মুক্তাগাছা প্রেসক্লাব সুপারমার্কেট চালু করার নিমিত্তে সভায় সিদ্ধান্ত থাকার পরও সভাপতি কর্তৃক ভাড়া প্রদানকারীকে বের করে দিয়েছেন। নিজেকে মুক্তাগাছার একমাত্র বড় সাংবাদিক হিসেবে পরিচয়ে সাংবাদিকতার নীতিমালা লংঘন ও পদের অপব্যবহার করে গঠনতন্ত্রের বিধি-বিধানগুলোকে প্রতিপালন না করে, বিভিন্ন সদস্যের নামে অসাংবাদিকসহ অশালীন কথাবার্তা বলে ঐতিহ্যবাহী প্রেসক্লাবের সুনামক্ষুন্নসহ বিভিন্ন ধরণের স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়ম করেছেন এবং লিপ্ত রয়েছেন। এমকি কমিটি বিলুপ্তির ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে কার্যকরি পরিষদের কতিপয় সদস্যদের বাসায় গিয়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে স্বাক্ষর গ্রহন করিয়েছেন। গোপন ব্যালটের ভোটে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েও সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করে, নিজের দায়িত্বহীনতা,স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়ম করা থেকে রেহাই পেতে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ভোটে পরাজিত হয়ে যারা প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তাদেরকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে কমিটি বিলুপ্ত করার সর্ব্বোচ্য চেষ্ঠা করছেন। শুধু তাই নয় ইতিপূর্বে যারা প্রেসক্লাবের ক্ষতিসাধনকারী, ধ্বংসকারী হওয়া চিরশত্রু হিসেবে চিহ্নিত তাদেরকে লাঠিয়াল হিসেবে ব্যবহার করার অপচেষ্ঠায় লিপ্ত রয়েছেন। তার এহেন কর্মকান্ড প্রেসক্লাবের ঐতিহ্য বিনষ্ট ও ধ্বংসের কারন হয়ে দাড়িয়েছে। যা ক্লাবের গঠনন্ত্রের বিধিবিধানের আলোকে অমার্জনীয় অপরাধ। বিধায় মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের সভায় ক্লাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, শৃঙ্খলাভঙ্গ ও উপরোল্লিখিত অপরাধের দায়ে তাকে উক্ত সাধারন সম্পাদক পদ থেকে অদ্য ১ ফেব্রুয়ারী ২০২১ তারিখ থেকে সাময়িক অব্যহতি প্রদান করার সিদ্বান্ত গৃহিত হয়েছে। চলতি দায়িত্ব হিসেবে প্রেসক্লাব কার্যকরি সদস্য জনাব হেলাল উদ্দিন নয়নকে আগামী ৩ দিনের মধ্যে সিজার লিষ্টের মাধ্যমে ক্লাবের চাবি, মালামাল ও সকল রেকর্ডপত্র বুঝিয়ে দিয়ে ”কেন আপনাকে মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবের পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রন করা হবে না” উহার উল্লিখিত কারণসহ অত্রপত্র প্রাপ্তির ৭ (সাত) দিনের মধ্যে লিখিত কারনসহ নোটিশের জবাব প্রদানের জন্য বলা হয়।

দয়াকরে নিউজটি শেয়ার করুন

আরো পড়ুন.....

greenaronno.com

themes052459
© All rights reserved © 2018 মুক্তকণ্ঠ
Theme Download From Bangla Webs